Загрузка...

ভারত থেকে মার্কিন শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধান ঝুঁকিগুলো কী কী ? www.planfuture.in

ভারত থেকে মার্কিন শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধান ঝুঁকিগুলো কী কী এবং ডিভিডেন্ড ও ক্যাপিটাল গেইনের ওপর ট্যাক্স কাঠামো কীভাবে কাজ করে?
স্বাগতম Plan Future Insight-এ। আমি আপনাদের Investment DADA। আজ আমরা আলোচনা করব কীভাবে ভারত থেকে Apple বা Google-এর মতো গ্লোবাল কোম্পানিতে বিনিয়োগ করবেন এবং এর নিয়মগুলো কী।

কর বা ট্যাক্স কাঠামো:
আমেরিকান স্টক থেকে পাওয়া ডিভিডেন্ডের ওপর সে দেশের সরকার ২৫% 'উইথহোল্ডিং ট্যাক্স' কাটে। তবে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে চুক্তি থাকায় আপনি ভারতে এর 'ট্যাক্স ক্রেডিট' ক্লেইম করতে পারেন। মূলধনী লাভ বা ক্যাপিটাল গেইনের ক্ষেত্রে, ২৪ মাসের বেশি শেয়ার ধরে রাখলে ১২.৫% ট্যাক্স লাগে, আর তার কম হলে তা আপনার ইনকাম ট্যাক্স স্ল্যাব অনুযায়ী করযোগ্য হয়।

প্রধান ঝুঁকি বা Risks:
সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো Currency Risk। ডলারের তুলনায় টাকা শক্তিশালী হলে আপনার মুনাফা কমে যেতে পারে। এছাড়া 'Schedule FA'-তে বিদেশি সম্পদের তথ্য জানানো বাধ্যতামূলক। সরাসরি বিনিয়োগে রিসার্চের অভাব এবং উচ্চ লেনদেন খরচও বড় চ্যালেঞ্জ।

দাদার পরামর্শ:
সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য সরাসরি শেয়ার না কিনে International Mutual Funds বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। এতে ফান্ড ম্যানেজার সমস্ত রিসার্চ এবং ট্যাক্সের জটিলতা সামলান।

এই সপ্তাহে আপনার করণীয়:
আপনার পোর্টফোলিওতে গ্লোবাল ডাইভারসিফিকেশন চান কি না ঠিক করুন। সহজ পথের জন্য আপনার মিউচুয়াল ফান্ড ডিস্ট্রিবিউটরের সাথে কথা বলে একটি রেগুলার ইন্টারন্যাশনাল ফান্ডে বিনিয়োগ শুরু করুন।

মনে রাখবেন, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকি সাপেক্ষ। আমি Koustav Biswas, ভিজিট করুন www.planfuture.in। বুদ্ধিমান হোন, সঠিক বিনিয়োগ করুন! ধন্যবাদ।

Видео ভারত থেকে মার্কিন শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধান ঝুঁকিগুলো কী কী ? www.planfuture.in канала Plan your Finance in Bangla
Яндекс.Метрика
Все заметки Новая заметка Страницу в заметки
Страницу в закладки Мои закладки
На информационно-развлекательном портале SALDA.WS применяются cookie-файлы. Нажимая кнопку Принять, вы подтверждаете свое согласие на их использование.
О CookiesНапомнить позжеПринять